মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৪ August ২০১৬

মহাপরিচালক

প্রফেসর মোঃ হামিদুল হক, মহাপরিচালক, জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়-এর

জীবন বৃত্তান্ত

প্রফেসর মোঃ হামিদুল হক ১৯৫৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি লালমনিরহাট জেলার সাপটানা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা জনাব আবুল হোসেন একজন সফল রাজনীতিবিদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা। মাতা মিসেস হাসনা বানু একজন আদর্শ গৃহিনী।

প্রফেসর হক লালমনিরহাট মডেল হাই স্কুল থেকে ১৯৭৪ সালে এসএসসি, ১৯৭৬ সালে কারমাইকেল কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ১৯৮০ ও ১৯৮১ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগে বিএসসি (সম্মান) এবং এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নকালেই তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত হন। কারমাইকেল কলেজ বিজ্ঞান পরিষদের জিএস পদে নির্বাচিত হন।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে ১৯৮৪ সালের ০১ নভেম্বর তারিখে লালমনিরহাট সরকারি কলেজে প্রাণিবিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। চাকুরির ধারাবাহিকতায় তিনি বিভিন্ন সরকারি কলেজে (সরকারি জসমুদ্দিন কাজী আব্দুল গণি ডিগ্রী কলেজ, লালমনিরহাট, রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী, কারমাইকেল কলেজ, রংপুর) অধ্যাপনা করেন। ০১ মার্চ ২০১১ তারিখে তিনি রংপুর সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। রংপুর সরকারি টিচার্স  ট্রেনিং কলেজের অধ্যক্ষ পদে থাকাকালীন তাঁরই প্রত্যক্ষ ও সক্রিয় উদ্যোগ এবং ব্যবস্থাপনায় ঐ কলেজে এম এড কোর্স ও চার বছর মেয়াদি বিএড (অনার্স) কোর্স চালু হয়। বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে তথ্য-প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও ব্যবহার সর্বক্ষেত্রে অনস্বীকার্য। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে রংপুর অঞ্চলে ৩,১১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ চালুকরণে নেতৃত্ব দেন। এরই স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের a2i কর্মসূচি কর্তৃক Best Principal Award, 2015 পদক প্রদান করা হয়। 

২০১৫ সালের ০৮ ডিসেম্বর প্রফেসর হক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ-এর পরিচালক (প্রশিক্ষণ) পদে যোগদান করেন এবং ২০১৬ সালে ১২ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ প্রশিক্ষণদানকারী ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) এর মহাপরিচালক পদের দায়িত্বভার গ্রহণ করে অদ্যাবধি নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

প্রফেসর হক পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে দেশ ও বিদেশে (যেমন: ইংল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, ভ্যাটিকান সিটি ইত্যাদি) বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, ওয়ার্কশপ, সেমিনার-সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণ করেন। পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন জনসেবামূলক কর্মকান্ডে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। তিনি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, লালমনিরহাট জেলা সমিতি, ইতিহাস একাডেমি, উত্তরবঙ্গ জনকল্যাণ সমিতি-এর আজীবন সদস্য এবং বাংলাদেশ প্রাণিবিজ্ঞান সমিতি-এর নির্বাহী সদস্য। তিনি রোটারী ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ-এর সহকারি গভর্ণর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং রোটারী ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে কৃত্রিম পা সংযোজন শিবির, চক্ষু ক্যাম্প, হার্ট ক্যাম্পসহ বিভিন্ন কর্মকান্ড সাফল্যজনকভাবে সম্পাদন করেন। মানবতার সেবায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তাঁকে রোটারী ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে পল হ্যারিস ফেলো পদকে ভূষিত করা হয়।

প্রফেসর হক দুই পুত্র সন্তানের জনক। তাঁর সহধর্মিনী একজন উচ্চ শিক্ষিত আদর্শ গৃহিণী।


Share with :